• শনিবার   ০৫ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২১ ১৪২৭

  • || ২০ রবিউস সানি ১৪৪২

৭৫

আরিচা-কাজিরহাট রুটে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে অবৈধ স্পিডবোট

মানিকগঞ্জ বার্তা

প্রকাশিত: ২১ নভেম্বর ২০২০  

আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে রুট পারমিট ব্যতীত প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই চলছে অবৈধ স্পিড বোট। মাসখানেক আগে শিবালয় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে লিখিত পত্রের মাধ্যমে রুট পার্মিট ব্যতীত স্পিডবোট বন্ধের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর একমাস পার হয়ে গেলেও স্পিডবোট মালিক সমিতির পক্ষ থেকে লিখিত কোন উত্তর জানানো হয়নি, বন্ধ হয়নি স্পিডবোট।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুনরায় কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। তাতেও কাজ না হলে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।

গত ৫ বছর যাবৎ কোন রকম রুট পারমিট না নিয়েই অবৈধভাবে এ ব্যাবসা পরিচালনা করছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল। ফলে একদিকে যেমন সরকার বিপুল পরিমান রাজস্ব হারাচ্ছে অপরদিকে রুট পার্মিট না থাকায় যাত্রীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তোলা হচ্ছে স্পিডবোটে। বিআইডব্লিউটিএ’র রোড পারমিট না থাকলেও অজ্ঞাত কারণে এসব অবৈধ নৌযান দাপিয়ে বেড়াচ্ছে যমুনা নদীর বুকে। 

এদিকে অধিকাংশ বোটে জীবন রক্ষাকারী বয়া কিংবা লাইফজ্যাকেট নেই। এসব জেনেও যাত্রীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছে যমুনা নদী।


নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে স্পিডবোট নিবন্ধনের লক্ষে নৌ পরিবহন অধিদপ্তরকে ‘নিবন্ধন সপ্তাহ’ পালনের নির্দেশ প্রদান করেন।

 এরই প্রেক্ষিতে বিআইডব্লিউটিএ’র সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে আরিচা ঘাট এলাকার স্পিডবোট মালিকদের নিবন্ধনের তাগিদ দিয়ে আসলেও কোন ভ্রুক্ষেপ করছে না বোট মালিকেরা।

এ বিষয়ে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম রুহুল আমিন রিমন বলেন, গত একমাস আগে আরিচা লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে লিখিতভাবে সাত দিনের মধ্যে অবৈধ স্পিডবোট বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু এক মাস অতিবাহিত হলেও চিঠির কোন উত্তর না দিয়ে পূর্বের ন্যায় অবৈধভাবে স্পিডবোট পরিচালনা করছে। এ ব্যপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুনঃ লিখিতভাবে স্পিডবোট বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হবে। এতেও না মানলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নগর জুড়ে বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর