• বুধবার   ১৪ এপ্রিল ২০২১ ||

  • বৈশাখ ১ ১৪২৮

  • || ০২ রমজান ১৪৪২

কালিয়াকৈরের সেই প্রধান শিক্ষক বহিষ্কার

মানিকগঞ্জ বার্তা

প্রকাশিত: ৬ মার্চ ২০২১  

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বড়ইবাড়ী এ.কে.ইউ ইনস্টিটিউশন ও কলেজের অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত সেই আলোচিত প্রধান শিক্ষক সোলাইমান সিকদারকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

২৫ ফেব্রুয়ারি কালিয়াকৈরে উপজেলা পরিষদে ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির মিটিং ও আলোচনা সভায় বডির সভাপতি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

সূত্রে জানা গেছে, দুর্নীতির দায়ে অধ্যক্ষ সোলাইমান সিকদারকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের পর বড়ইবাড়ী স্কুল ও কলেজে অবৈধভাবে নিয়োগ হন। কিন্তু তার সরকারি বেতনের ইন্ডেক্স টানা তিন বছর বন্ধ থাকার কারণে তার এমপিওভুক্ত বেতন বন্ধ হয়ে যায়। যে কারণে ওই প্রতিষ্ঠানের ফান্ড থেকে দীর্ঘদিন তিনি নিজ ইচ্ছায় বেশ মোটা অংকের বেতন গ্রহণ করতেন। এছাড়াও নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি করে প্রতিষ্ঠানের ফান্ড থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন।

এ দিকে গত দুই মাস আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ডিজি থেকে একটি নোটিশের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় অধ্যক্ষ সোলাইমান সিকদারের এমপিও আর হবে না।

ওই নোটিশের প্রেক্ষিতে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির মিটিং ডাকা হয়। এসময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সভাপতি ও অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রধান শিক্ষক সোলাইমান সিকদারকে বহিষ্কার করা হয়। পরে ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কলেজ শাখার সিনিয়র অধ্যাপক সুশীল চন্দ্র সরকারকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক।

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুশীল চন্দ্র সরকার জানান, গভর্নিং বডির সিদ্ধান্তে আমাকে এই চেয়ারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশে আমাকে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে।

তবে অধ্যক্ষ সোলাইমান সিকদার বলেন, আমার সরকারি বেতন বন্ধ। অনেক চেষ্টা করে আমার এমপিও চালু হয়নি, তাই আমাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে আমার এমপিও চালু হলে আমাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেবে।