• শুক্রবার   ০৪ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৯ ১৪২৭

  • || ১৮ রবিউস সানি ১৪৪২

৪৪

বিমানবন্দরগুলোকে রাতে ফ্লাইট ওঠা-নামার উপযোগী করার নির্দেশ

মানিকগঞ্জ বার্তা

প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২০  

অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরগুলোকে রাতে ফ্লাইট ওঠানামার উপযোগী করতে পর্যাপ্ত লাইটিংয়ের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এক হাজার ছয়শত আটষট্টি কোটি ঊনত্রিশ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত চারটি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে গণভবন থেকে একনেক সভায় অংশ নেন।

একনেক সভা শেষে সাংবাদিকদের সামনে সার্বিক তথ‌্য তুলে ধরেন পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম। অভ্যন্তরীণ রুটে প্লেনের ফ্লাইট সংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন বলে জানান আসাদুল ইসলাম।

একনেক সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মহিবুল হক বলেন, অভ্যন্তরীণ রুটে  রানওয়ে ও লাইটিং সিস্টেম উন্নয়ন করা হবে।

সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম বলেন, একনেক সভায় যশোর, সৈয়দপুর, শাহমখদুম বিমানবন্দরের রানওয়ের সারফেস অ্যাসফল্ট কংক্রিট ওভারলে-করণ করতে পাঁচশত ছেষট্টি কোটি ছিয়াত্তর লাখ নয় হাজার টাকা ব্যয়ে প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা দিন দিন ভালো হচ্ছে। দেশে ইকনোমিক জোনও হচ্ছে। এসব কারণে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট বাড়ছে। তাই বিমানবন্দরে লাইটিং বৃদ্ধি করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। যেন রাতেও ফ্লাইট ওঠানামা করতে পারে।

এছাড়া তিনশত এক কোটি টাকা ব্যয়ে ‘নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন কদমরসুল অঞ্চলে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়ন’ প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। এই প্রকল্প প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরে আসাদুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন এমনভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন করতে হবে যেন পানি দূষিত না হয়।

আজ একনেক সভায় যেসব প্রকল্প অনুমোদিত হলো- বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ‘যশোর বিমানবন্দর, সৈয়দপুর বিমানবন্দর (নীলফামারী) ও শাহ মখদুম বিমানবন্দরের (রাজশাহী) রানওয়ে সারফেসে অ্যাসফল্ট কংক্রিট ওভারলেকরণ’ প্রকল্প; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ‘নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কদমরসুল অঞ্চলে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়ন’, ‘মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও রাজবাড়ী জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন (প্রথম সংশোধন)’ প্রকল্প এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের ‘ভূ-উপরিস্থ পানি উন্নয়নের মাধ্যমে বৃহত্তর দিনাজপুর ও জয়পুরহাট জেলার সেচ সম্প্রসারণ’ প্রকল্প।

সভার কার্যক্রমে অংশ নেন- কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর