• শুক্রবার   ০৭ মে ২০২১ ||

  • বৈশাখ ২৪ ১৪২৮

  • || ২৬ রমজান ১৪৪২

লকডাউনেও টিকাদান কর্মসূচি চলবে, সবাই টিকা পাবে

মানিকগঞ্জ বার্তা

প্রকাশিত: ১৪ এপ্রিল ২০২১  

লকডাউনে টিকা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং কার্ড দেখিয়ে টিকাগ্রহীতা বিধিনিষেধের মধ্যেও ব্যক্তিগত কিংবা ভাড়া করা যানবাহন ব্যবহার করে টিকাদান কেন্দ্রে যেতে পারবেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা।

তিনি বলেন, ‘যাদের দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেয়ার সময় আট সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে তারা কোনো কারণে টিকা নিতে না পারলেও ১২ সপ্তাহের মধ্যে টিকা নিতে পারবেন। দেশের সবাই পর্যায়ক্রমে টিকা পাবেন।’


বুধবার  স্বাস্থ্য অধিদফতর আয়োজিত করোনা সম্পর্কিত জুম কনফারেন্সে তিনি এসব কথা বলেন।

সেব্রিনা ফ্লোরা আরও বলেন, ‘রমজানে টিকা নেয়া যাবে কি-না এ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছেন রোজা রেখে টিকা নেয়ার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা নেই। রাজস্ব খাত থেকে তিন কোটি ডোজ টিকা কেনা হয়েছে। যে টিকা আমরা পর্যায়ক্রমে পাচ্ছি। এখন পর্যন্ত পেয়েছি সেই টিকা এখনও আমাদের কাছে মজুদ রয়েছে, শেষ হয়নি।’

‘প্রথম ডোজের টিকা যারা পেয়েছে তারা যেন দ্বিতীয় ডোজের টিকা পান তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আরও মানুষকে যেন টিকার আওতায় আনা যায় তার জন্য কাজ করা হচ্ছে। এ ছাড়া দুটি প্রকল্পে- একটি (ওয়াল্ডব্যাংকের সাথে ৫০০মিলিয়ন ডলারের ব্যবস্থা) ও এডিবির সাথে ৯৪০মিলিয়ন ডলারের চুক্তি, সেটাও চুড়ান্ত পর্য়ায়ে রয়েছে। শুধুমাত্র অ্যাসট্রেজেনেটার টিকার ওপর নির্ভর না করে আমরা বিভিন্ন দেশের প্রস্তুত করা টিকার ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে আমাদের দেশে ব্যবহার করা যায় কি-না তা দেখা হচ্ছে। দেশীয়ভাবে কেউ টিকা প্রস্তুত কেউ করতে পারলে সে ব্যাপারেও সহযোগিতা করা হবে। সবকিছু মিলিয়ে দেশের জনগণের জন্য যে টিকাটি সহজলভ্য ও প্রয়োগযোগ্য হবে, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হবে না সে ব্যাপারটি খেয়াল রেখেএবং বৈশ্বিক মান বজায় রেখে টিকা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।’

তিনি জানান, ২৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন ও পরবর্তীতে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে করোনার টিকা কার্যক্রম চলছে। পরবর্তীতে ৮ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে সাত লাখ ৩৩হাজার মানুষ দুই ডোজের টিকা নিয়েছেন। প্রথম থেকেই পরিকল্পিত পরিকল্পনা মাফিক টিকাদান কর্মসূচি চলছে এবং তা সাফল্যের সঙ্গে এগিয়ে চলেছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘যারা লকডাউনে যারা ঢাকার বাইরে আটকা পড়েছেন তারা টিকাকার্ড দেখিয়ে সেখানকার কোনো কেন্দ্র থেকে টিকা নিতে পারবেন না। তাদেরকে রেজিস্ট্রার্ড কেন্দ্র থেকেই টিকা নিতে হবে। দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেয়ার সময় ৮ সপ্তাহ পর দেয়া হলেও যে কেউ ১২ সপ্তাহের মধ্যে টিকা নিতে পারবেন। যদি সেই সময়ও কাছাকাছি চলে এলে বিকল্প ব্যবস্থা করা হবে।’