• শনিবার   ১৯ জুন ২০২১ ||

  • আষাঢ় ৬ ১৪২৮

  • || ০৯ জ্বিলকদ ১৪৪২

সখীপুর হাসপাতালে প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ রোগী সেবা নিচ্ছেন

মানিকগঞ্জ বার্তা

প্রকাশিত: ৭ মে ২০২১  

টাঙ্গাইলের সখীপুর হাসপাতালে করোনার এ মহা দুর্যোগকালেও সেবা কার্যক্রম আরো বেড়ে গেছে। প্রতিদিন বহির্বিভাগে ২০০ থেকে ৩০০ রোগী আসে ৫০ শয্যার এ হাসপাতালে। এছাড়া আন্ত:বিভাগে ৪০-৫৫ জন এবং জরুরী বিভাগে করোনার ঝুঁকি নিয়েও সার্বক্ষনিক সেবা দিয়ে যাচ্ছে হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকরা। করোনার ভয়কে জয় করে সিজারের কাজও আগের মতই অব্যাহত রেখেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

সরেজমিন হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, বহির্বিভাগে রোগীদের লম্বা লাইন, জরুরী বিভাগেও রোগীদের ভিড়ে পা ফেলা যাচ্ছে না। হাসপাতালে দুই মাস ধরে ভর্তিরত উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের ৬৫ বছর বয়সের রোগী মো.খলিল মিয়া বলেন, আমি কঠিন রোগে আক্রান্ত, এ হাসপাতাল না থাকলে আমি বোধহয় বাচতাম না। হাসপাতালের ডাক্তার এবং নার্সদের আচার-ব্যবহারে তিনি খুবই সন্তুষ্ট বলে এ প্রতিবেদককে তিনি জানান।

বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা উপজেলার ঘোনারচালা গ্রামের জামাল হোসেন বলেন, টিকিট নিয়ে ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধ নিয়ে চলে যাচ্ছি। এখানকার ডাক্তারদের অমায়িক আচরণে আমি খুবই খুশি। উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. কামরুল হাসান বলেন, আমার মাকে নিয়ে এসছিলাম হাসপাতালে, অত্যন্ত যত্নসহকারে আমার মাকে দেখে দিয়েছে।

কিছু চিকিৎসকের পদ শূন্য থাকলেও প্রেষণে থাকা গাইনী কনসালটেন্ট ডা.মোসফিকা মহসিন সার্জারী ও এ্যানেসথেসিয়া ডাক্তার নিয়ে সিজারিং কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া মেডিসিন, কার্ডিওলজি, শিশু, অর্থোসার্জারি, গাইনি কনসালটেন্ট, নাক, কান, গলা, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শূণ্য পদের চাহিদা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হয়েছে বলে হাসপাতাল অফিস ঘেঁটে জানা যায়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আবদুস সোবহান বলেন, হাসপাতালে করোনা টিকা, রোগীদের নমুনা পাঠানো ও চিকিৎসা কার্যক্রম চলছে। এছাড়া ৫লক্ষ লোকের বসবাসের উপজেলা হাসপাতালটি একমাত্র ভরসা। বিশাল জনগোষ্ঠির চিকিৎসা সেবা আমরা সুনামের সঙ্গে দিয়ে আসছি। কিছু চিকিৎসকের পদ শূন্য থাকলেও ওই সব বিশেষজ্ঞ বিভাগীয় চিকিৎসা সেবাও আমরা চালিয়ে যাচ্ছি। হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত ভাল তবে তিনি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত শূন্য পদের চিকিৎসকগুলো পূরণের বিনীত আবেদন করেছেন বলে জানান।