• রোববার   ০৫ ডিসেম্বর ২০২১ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২১ ১৪২৮

  • || ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৩

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বিসিএস ক্যাডার চালু প্রক্রিয়াধীন

মানিকগঞ্জ বার্তা

প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২১  

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো: এনামুর রহমান বলেছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে জাতিসংঘের সিভিল সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকে নারী ও শিশুবান্ধব করার পাশাপাশি প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর বসবাসের উপযোগী করা হয়েছে। বর্তমানে ১৯ টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ রয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিসিএস দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ক্যাডার চালুর প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 

শনিবার তেজগাঁওস্থ এফডিসিতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষ্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে এক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান জনাব আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে বাংলাদেশ বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে প্রসংসীত হলেও এখনো আমাদের উপকূলীয় অঞ্চলে অনেক মানুষ দুর্যোগ ঝুঁকিতে বসবাস করছে। পাশাপাশি দুর্যোগজনিত কারণে বাস্তুচ্যুত হয়ে অনেক মানুষ শহরে এসে ভীড় করছে। একইসাথে নগর দুর্যোগ মোকাবেলায়ও আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। 
দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির পক্ষ থেকে ১০ দফা সুপারিশ প্রদান করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। সুপারিশগুলি হচ্ছে ২০২১-২০২৫ মেয়াদের জন্য গৃহীত জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও পরীবিক্ষণ নিশ্চিত করা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইনের আলোকে জাতীয় পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা তহবিল কার্যকর করা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ডিগ্রীধারীদের জন্য বিসিএস দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ক্যডার চালু করা, দুর্যোগ সংক্রান্ত গবেষণা কাজে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগকে সম্পৃক্ত করা, নগর দুর্যোগের ঝুঁকি কমিয়ে আনতে সিটি কর্পোরেশন এলাকাগুলোতে ভূমিকম্প সহনীয়তা নিশ্চিত করা। প্রয়োজনে ঝুঁকিপূর্ণ  ভবন চিহ্নিত করে সেগুলোকে  রেট্রোফিটিং এর ব্যবস্থা করা, ঢাকা মেডিকেল, সলিমুল্লাহ মেডিকেলসহ যেসব হাসপাতালে ঝুঁকিপূর্ণ ইমারত রয়েছে সেই ভবনগুলোকে ডিজাষ্টার রেজিলিয়েন্ট করা, যতো দ্রুত সম্ভব পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মতো বর্জ্রপাতে হতাহতের সংখ্যা কমাতে এলার্মিং সিস্টেম ও বর্জ্র নিরোধক দণ্ড ব্যবহার করা, দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্বাসন জোরদার করার জন্য জাতীয় পর্যায়ে নির্ধারণ করা, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে প্রাইভেট সেক্টর এর সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং বর্জ্রপাত ঝুঁকি নিরসনে কমিউনিটি ভিত্তিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা। 

প্রতিযোগিতায় বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন এন্ড টেকনোলজির বিতার্কিকদের পরাজিত করে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজির বিতার্কিকরা চ্যাম্পিয়ন হয়। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলের মাঝে ট্রফি ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, ড. এস এম মোর্শেদ, ড. মেহরুবা, সাংবাদিক মাঈনুল আলম ও সাংবাদিক শাহরিয়ার অনির্বাণ।