• মঙ্গলবার   ২৪ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৯ ১৪২৯

  • || ২২ শাওয়াল ১৪৪৩

আজ সারা দেশেই বৃষ্টির সম্ভাবনা

মানিকগঞ্জ বার্তা

প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি ২০২২  

গত দুই দিন ধরে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু এলাকায় বৃষ্টিপাত হলেও আজ রবিবার সারা দেশেই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। কাল সোমবারও এই বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। এরপর এ মাসের শেষ দিকে শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে গতকাল ভোর থেকেই বাগেরহাটের মোংলা মেঘ ও ঘন কুয়াশায় আচ্ছাদিত হয়ে পড়ে। মধ্য দুপুর পর্যন্ত আকাশে দেখা মেলেনি সূর্যের। তবে মাঝে মধ্যে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে। তাই আগের চেয়ে বেশি শীত জেঁকে বসেছে এ এলাকায়। কুয়াশায় নৌ ও সড়ক পথে যান চলাচল বিঘ্নিত হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুখ  বলেন, ‘আগামী সোমবার পর্যন্ত সারা দেশের কিছু এলাকায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর বৃষ্টি কমলেও আকাশে মেঘ থাকবে।
আগামী শুক্রবার থেকে কিছু জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। ’

গতকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা অথবা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। সারা দেশে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

তাপমাত্রার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। উত্তরাঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা কমতে পারে এবং দেশের অন্যত্র তা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে বেড়েছে শীতের দাপট। সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশা আর ঠাণ্ডা বাতাসে এ জনপদের জনজীবনে অস্বস্তি নেমে এসেছে। দুর্ভোগে পড়েছে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। শীতের তীব্রতা থাকছে সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত। এই সময়ে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশার সঙ্গে হিমালয় থেকে আসা ঠাণ্ডা বাতাস বয়ে চলে এ জেলার ওপর দিয়ে। মাঝরাতে তাপমাত্রা আরো কমে আসে। অনেকে খড়কুটা জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করে।

হিমালয়কন্যা পঞ্চগড়ে প্রতিবছরই শীতের প্রকোপ একটু বেশি থাকে। বেশির ভাগ সময় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্র বিরাজ করে প্রান্তিক এ জেলায়। শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়।

বগুড়ার ধুনটে কয়েক দিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না। কুয়াশার বৃষ্টি ঝরছে। কনকনে শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না। সূর্যের আলোবিহীন দিন আর ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা রাতে যমুনা নদীতে মাছ শিকারিদের দুর্ভোগ বেড়েছে।