• মঙ্গলবার   ০৫ জুলাই ২০২২ ||

  • আষাঢ় ২১ ১৪২৯

  • || ০৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

সাভারে সবজির দাম গড়ে ১০ টাকা কমেছে

মানিকগঞ্জ বার্তা

প্রকাশিত: ২১ মে ২০২২  

ঢাকার সাভারের গেন্ডা এলাকায় কাঁচামালের পাইকারি আড়ত ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে জমে ওঠে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কৃষিপণ্যের দাম গড়ে ১০ টাকা কমেছে। এতে ক্রেতারা খুশি হলেও পরিবহন খরচ বেশি হওয়ায় সন্তুষ্ট নন খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতারা।

সপ্তাহের প্রথম দিন শনিবার (২১ মে) বৃষ্টিবিঘ্নিত ভোর থেকেই সবজি চাষি, খুচরা ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের হাঁকডাকে সরগরম হয়ে ওঠে সাভারের গেন্ডা এলাকার সবজি আড়ত। ঢাকা জেলার পাশাপাশি উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন স্থান থেকে এই আড়তে সবজি নিয়ে আসেন মৌসুমি ফড়িয়া ব্যবসায়ীসহ স্থানীয় কৃষকরা।

চলতি সপ্তাহে এ আড়তে বাজারদর স্বাভাবিক রয়েছে। প্রকারভেদে বিভিন্ন সবজিতে দাম ৫-১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। এতে ক্রেতারা খুশি হলেও সন্তুষ্ট নন খুচরা ও বড় পাইকাররা। তাদের দাবি, আড়ত থেকে প্রতিটি সবজি গড়ে কমে কিনতে পারলেও পরিবহন খরচ বেশি হওয়ায় লাভ কম হচ্ছে।

তারা বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে সবজির দাম কম। কোনোটির দামই বাড়েনি। গত সপ্তাহে মরিচ ৭০ টাকা কেজি দরে কিনেছি। এ সপ্তাহে ১০ টাকা কমে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু দাম কমলেই কী হবে? কারণ, আমরা লাভ করতে পারি না। গাড়ি ভাড়া বেশি লাগে।

এদিকে পরিবহন ব্যবসায়ীরা বলেন, ঘাটে ঘাটে চাঁদাসহ জ্বালানির দাম বাড়ায় বাধ্য হয়েই পরিবহন খরচ বেশি নিতে হচ্ছে। ভাড়া বেশি পড়ার বিষয়ে একজন পরিবহন ব্যবসায়ী বলেন, ‘তেলের দাম বেশি। এ ছাড়া ঘাটে ঘাটে আমাদের টাকা দিতে হয়। যার জন্য আমাদের ভাড়া একটু বেশি পড়ে।’

গেন্ডা মোহাম্মদীয়া কৃষিপণ্য পাইকারি আড়তের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ বলেন, ভাড়া দিয়ে আসার জন্য যে মূল্য পাওয়ার কথা, ব্যবসায়ীরা সে মূল্য পান না। উল্লেখ্য, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে গেন্ডা মোহাম্মদীয়া কৃষিপণ্য পাইকারি আড়তে প্রতিদিন গড়ে ২০-৫০ লাখ টাকার বেচাকেনা হয়ে থাকে। এই আড়তের কৃষিপণ্যই রাজধানীর মিরপুর, ধানমন্ডি, কারওয়ান বাজার, দোহার-নবাবগঞ্জসহ বিভিন্ন মার্কেটে সরবরাহ হয়ে থাকে।