• বৃহস্পতিবার   ০৬ অক্টোবর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ২১ ১৪২৯

  • || ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

মানিকগঞ্জে স্ত্রীকে হত্যা করে পালিয়ে কেরানীগঞ্জে গ্রেফতার

মানিকগঞ্জ বার্তা

প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০২২  

মানিকগঞ্জের আলোচিত নববধু সুমি আক্তারকে গলা কেটে হত্যা মামলার আসামি রূপককে সাতদিন পর বুধবার ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি পুলিশ। সিআইডি পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে স্ত্রীর চাকুরি নিয়ে বিরোধের জেড়েই এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে রূপক। এর আগে গত ২১ জুলাই সকালে স্ত্রী সুমি আক্তারকে খুন করে রূপক।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মানিকগঞ্জ সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক মনির হোসেন বলেন, বিয়ের তিন মাসের মাথায় দাম্পত্য কলহের জেরে নববধূকে হত্যার ঘটনাটি দেশজুড়ে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে প্রচারিত হয়। হত্যার ঘটনার বিষয়ে ভিকটিম সুমি আক্তারের বাবা মো.রহম আলী নিহতের স্বামী রূপককে একমাত্র আসামি করে মানিকগঞ্জের ঘিওর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

ঘটনার পর পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে সংগৃহীত বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত রূপকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। ২৬ জুলাই ঘিওর থানার মামলটি সিআইডিতে নিয়ে আসা হয়। বুধবার সকালে এলআইসির একটি চৌকস টিম অভিযান পরিচালনা করে আসামী রূপককে ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সিআইডির এলআইসি শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর আরো জানান, গ্রেপ্তরকৃত আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, মানিকগঞ্জ জজ কোর্টে এক অ্যাডভোকেটের সহকারী হিসেবে সে প্রায় ৯ বছর ধরে কাজ করত। উভয় পরিবারের সম্মতিতে গত ১৫মে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের আগে থেকেই ভিকটিম সুমি আক্তার স্থানীয় একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থ্য এসডিআই এ মাঠকর্মী হিসেবে কাজ করত। সুমির চাকরি ছাড়ার বিষয়টি নিয়ে রূপকের সাথে ২১ জুলাই সকালে ঝগড়া হয়।

এক পর্যায়ে আসামি রূপক সুমি আক্তারকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে থাকলে রূপকের মা রওশন আরা বেগম রূপককে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু রূপক আরও বেশি উত্তেজিত হয়ে ঘরে থাকা ধারালো দা দিয়ে সুমির গলায় কোপ দিয়ে রক্তাক্ত জখম করলে সুমি আক্তার মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।