• শুক্রবার   ০১ জুলাই ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৭ ১৪২৯

  • || ০১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

প্রবেশপত্র নিতে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

মানিকগঞ্জ বার্তা

প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারি ২০১৯  

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ভাওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রবেশপত্র উত্তোলনে অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রবেশপত্র প্রদানের সময় প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায় করছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দাবি, বকেয়া কোচিং ফি ও উন্নয়নের জন্য এ টাকা নেওয়া হচ্ছে

রবিবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে ভাওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে

এ বছর ভাওড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৫২ জন এসএসসি পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করেছে ফরম পূরণের সময় বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ফির পরিবর্তে দুই হাজার পাঁচশ টাকা থেকে তিন হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করে ওই বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিভাবকরা বিষয়টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হারুন অর রশিদের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন পরে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়ার পর অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করেন

গত বৃহস্পতিবার পরীক্ষার্থীরা প্রবেশপত্র সংগ্রহের জন্য বিদ্যালয়ে এসে জানতে পারে, প্রবেশপত্র নিতে ৫০০ টাকা লাগবে রবিবার সকাল থেকে অনেক পরীক্ষার্থী ৫০০ টাকা করে দিয়ে বিদ্যালয় থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করেছে যারা টাকা দিতে পারেনি বা দিতে চায়নি, তাদের প্রবেশপত্র দেওয়া হচ্ছে না বলে জানা গেছে

একাধিক পরীক্ষার্থী জানায়, পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বিদ্যালয়ের যাবতীয় পাওনা পরিশোধ করার পরও প্রবেশপত্র নেওয়ার সময় তাদের কাছে ৫০০ টাকা করে দাবি করা হচ্ছে এটা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের স্বেচ্ছাচারিতা ছাড়া আর কিছুই নয়

পরীক্ষার্থী সবুজ মিয়া, দেওয়ান ফেরদৌস, ইমন ও রাইজ উদ্দিন জানান, তারা টাকা নিয়ে না আসায় তাদের প্রবেশপত্র দেওয়া হয়নি

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমান হাসান বলেন, বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কোচিং ক্লাস করানো হয়েছে যাদের টাকা বকেয়া ছিল তাদের কাছ থেকে বকেয়া বেতন ৩০০ টাকা এবং বিদ্যালয় উন্নয়নকাজ করার জন্য ২০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে যাদের সামর্থ্য নেই, তারা টাকা দেবে না প্রবেশপত্র উত্তোলনের জন্য কোনো টাকা রাখা হচ্ছে না বলে তিনি উল্লেখ করেন

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল মালেকের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন