• শনিবার ২০ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ৫ ১৪৩১

  • || ১২ মুহররম ১৪৪৬

যাত্রীর তুলনায় গাড়ি বেশি

মানিকগঞ্জ বার্তা

প্রকাশিত: ১৪ জুন ২০২৪  

সাভারের নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে ঈদে ঘরমুখী মানুষের চাপ শুরু হয়েছে গতকাল বৃহস্পতিবার থেকেই। তবে আজ শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ মহাসড়কের বাসস্ট্যান্ডগুলোতে যাত্রীর চেয়ে গাড়ির সংখ্যাই বেশি চোখে পড়েছে। 

এ ছাড়া ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের একটি অংশ ছাড়া পুরো রাস্তাই প্রায় ফাঁকা। শুক্রবার মহাসড়কের বাইপাইল ত্রিমোড় এলাকায় সকাল থেকেই দেখা যায় যাত্রীর অপেক্ষায় সারি সারি দূরপাল্লার বাস অপেক্ষা করছে। 

শিল্পাঞ্চল খ্যাত সাভার-আশুলিয়ার অধিকাংশ যাত্রী পোশাক শ্রমিক। বেশির ভাগ পোশাক কারখানা শুক্রবার সকালেও খোলা থাকায় এখনো সড়কে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়নি। তবে ঢাকা ইপিজেডের বেশ কিছু কারখানাসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ঈদের আগে বৃহস্পতিবারই তাদের শেষ কর্মদিবস পালন করেছে। 

শুক্রবার সকালে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ও নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক ব্যবহার করে ভিভিআইপি চলাচলের কারণে সড়কে সাধারণ যান চলাচল প্রায় ঘণ্টাখানেক বন্ধ ছিল। পরে দুপুর ১১টা ৪৫ এর দিকে ভিভিআইপি এলাকা ত্যাগ করলে পুনরায় যান চলাচল শুরু হয়। 

বেলা সাড়ে ১২টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আরিচামুখী লেনে নবীনগর থেকে বিশমাইল পর্যন্ত ঢাকামুখী সড়কে নয়ারহাট থেকে নবীনগর পর্যন্ত যানজট রয়েছে। এ ছাড়া নবীনগর চন্দ্রা মহাসড়কে ভিভিআইপি মুভমেন্টের জন্য গাড়ি থেমে থাকলেও ভিভিআইপি চলে যাওয়ার পর নিমেষেই সড়ক স্বাভাবিক হয়ে যায়।  এ ছাড়া ঢাকা-আরিচা ও নবীনগর-চন্দ্রা উভয় মহাসড়কের ঢাকামুখী লেন বছরের সাধারণ সময়ের চেয়েও তুলনামূলক ফাঁকা রয়েছে। নেই কোনো যানজট। 

দূরপাল্লার বাসগুলোতে বাড়তি ভাড়া নেওয়া হলেও বিগত বছরগুলোর মতো গতানুগতিক হওয়ায় যাত্রীরা অভিযোগ তুলছেন না। পুলিশ নিয়মিত মাইকিংসহ অন্যান্য মাধ্যমে অভিযোগ জানাতে বললেও জনসাধারণকে তেমন কোনো অভিযোগ জানাতে দেখা যায়নি। 

পুলিশ জানিয়েছে, ঈদযাত্রা ঘিরে পুলিশের বাড়তি সতর্কতা ও নজরদারি রয়েছে। সড়কেও বিপুল পরিমাণ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।  সাভার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী বলেন, ‘এখনো সড়কের পরিস্থিতি স্বাভাবিকই বলা যায়। কারণ যাত্রীদের মূল চাপ এখনো শুরু হয়নি। আমরা ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলো নজরদারির মধ্যে রেখেছি যেন যানজট না লাগতে পারে। আমাদের সঙ্গে থানা-পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশসহ সবাই একযোগে কাজ করছে।’