• শুক্রবার ০১ ডিসেম্বর ২০২৩ ||

  • অগ্রহায়ণ ১৬ ১৪৩০

  • || ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৫

বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ - শ্রিংলা

মানিকগঞ্জ বার্তা

প্রকাশিত: ১৮ নভেম্বর ২০২৩  

ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের চলমান অগ্রযাত্রার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধি মানে ভারতের উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধি এবং ভারতের উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধি মানে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধি। ভারত সবসময়ই বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে দেখতে চায়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশ দুটি পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে অনন্য এই দ্বিপক্ষী সম্পর্ককে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।  

শ্রিংলা বৃহস্পতিবার নয়া দিল্লীর বাংলাদেশ হাই কমিশনের উদ্যোগে মিশনের বঙ্গবন্ধু হলে স্যামুয়েল রিচার্ডয়ের ‘বাংলাদেশ : ফ্রম বাস্কেট কেইস টু এশিয়ান টাইগার’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন। বইটিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন খাতে অর্জিত বাংলাদেশের অভাবনীয় সাফল্য ও উন্নয়নের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়েছে। 
অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বইটিকে উপজীব্য করে এক বিশেষ প্যানেল আলোচনার আয়োজন করা হয়। উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য গবেষণা ও তথ্য ব্যবস্থা (রিস)-এর অধ্যাপক ড. প্রবীর দে আলোচনায় অংশ নিয়ে কানেক্টিভিটিকে (সংযোগ) শক্তিশালী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের অন্যতম প্রধান উপাদান হিসেবে উল্লেখ করেন। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট রোহতক-এর পরিচালক অধ্যাপক ধীরাজ শর্মা বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সময়ের উন্নয়ন সাফল্যের পেছনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বকে মূল অনুঘটক হিসেবে অভিহিত করেন। 

সমাপনী বক্তব্যে ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান বাংলাদেশের অগ্রগতিশীল অর্থনীতি, শিক্ষা, তথ্য-প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের ঈর্ষণীয় সাফল্যের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এ ছাড়া, তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নের একটি উল্লেখযোগ্য অংশীদার হওয়ায় ভারত সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। হাই কমিশনের মিনিস্টার (কন্স্যুলার) সেলিম মো. জাহাঙ্গীর অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এবং বইটির ওপরে সংক্ষেপে আলোকপাত করেন। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক, স্বাগতিক দেশের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, মিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং প্রবাসী বাংলাদেশীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।