• বৃহস্পতিবার   ২৮ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ১৩ ১৪২৮

  • || ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

আরিয়ান মাদককাণ্ড: শাহরুখকে আগেই টার্গেট করা হয়েছিল!

মানিকগঞ্জ বার্তা

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০২১  

বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের পুত্র আরিয়ান খান মাদক পার্টি করতে গিয়ে গ্রেফতার হন। আরিয়ানের মাদক কাণ্ডে এখন সরগরম পুরো বলিউড পাড়া। চলছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। সবার মধ্যেই তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ কেউ শাহরুখপুত্রকে দোষী মনে করলেও, অনেকেই আবার খোঁজার চেষ্টা করছেন ভিন্ন ঘটনা।

আরিয়ান আটকের পর থেকেই বেশ অস্থিরতায় আছেন শাহরুখ ও গৌরী খান। শাহরুখ নিজেই নার্কোটিক্স কন্ট্রোল বুরোর (এনসিবি) হেফাজতে থাকা অবস্থায় ছেলের খবরাখবর রাখছেন। এমনকি তিনি বন্ধ করে দিয়েছেন নিজের শুটিংও।

আরিয়ানের জামিন শুনানি হবে শুক্রবার। শোনা যাচ্ছে, ছেলের জামিন শুনানির পরই শুটিংয়ে ফেরার সিদ্ধান্ত নিবেন শাহরুখ খান।

সম্প্রতি আদানি গোষ্ঠী পরিচালিত গুজরাতের মুন্দ্রা বন্দরে প্রায় ৩০০০ কিলোগ্রাম হেরোইন উদ্ধারের মামলার তদন্তভার হাতে নিয়েছে এনআইএ। গুঞ্জন উঠেছে, মুন্দ্রা বন্দরের ওই হেরোইন উদ্ধারের ঘটনা থেকে নজর ঘুরিয়ে দিতেই প্রমোদতরীতে অভিযান চালিয়েছে এনসিবি।

এই দাবি তুলতে দেখা গেছে কংগ্রেসকেও। অভিযোগের পাল্লা ভারী ছিল বিজেপির দিকেই। বৃহস্পতিবার এনসিপি’র মুখপাত্র ও মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিক বলেছেন, ‘পুরো ঘটনাটা সাজানো। বলিউডকে কালিমালিপ্ত করতে এবং মহারাষ্ট্রের বিরোধী সরকারকে প্যাঁচে ফেলতে বিজেপি এনসিবি-কে দিয়ে এসব করাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘শাহরুখ খানকে পরবর্তী নিশানা করা হবে বলে অন্তত এক মাস আগে সাংবাদিকদের কাছে খবর ছিল।’

এছাড়া মন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছেন গণমাধ্যমে আরিয়ানের সঙ্গে ভাইরাল হওয়া এক ব্যক্তির পরিচয় নিয়েও। প্রমোদতরীতে অভিযানের সময় এনসিবি’র যে দলটি গিয়েছিল, সেই দলে মণীশ ভানুশালী নামে এক ব্যক্তিও ছিলেন। বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে, ওই ব্যক্তি তাদের দপ্তরের কেউ না বলে জানিয়েছে এনসিবি।

মন্ত্রী নবাব মালিকের দাবি, বিজেপির সঙ্গে যুক্ত ওই ব্যক্তি। অমিত শাহ ও নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও ছবি রয়েছে তার। তবে গণমাধ্যমের কাছে মণীশ জানান, নবাবের অভিযোগ সত্য নয়। বিজেপির সঙ্গে ওই ঘটনার কোনো যোগসূত্র নেই।

এদিকে অভিযানে দেখতে পাওয়া আরেক ব্যক্তির পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আরিয়ানকে আটকের পর তার সঙ্গে সেলফি তুলেছিলেন ওই ব্যক্তি। সেই ছবি টুইটারে পোস্ট করে এক আইনজীবী লিখেছেন, তার নাম এসকে গোভাসাই। পেশায় তিনি একজন ‘প্রাইভেট ডিটেকটিভ’। এতে প্রশ্ন উঠেছে এনসিবির সঙ্গে যুক্ত না থেকেও কীভাবে তারা ওই অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন!

যদিও এ ব্যাপারে এনসিবি আগেই জানিয়েছে। শুধু প্রমোদতরীর ওই মাদক পার্টির আগাম তথ্যই তাদের কাছে ছিল। সেখানে আরিয়ান খানের থাকার ব্যাপারে তারা কিছুই জানতেন না।

সূত্র: আনন্দবাজার।