• সোমবার   ২৩ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৯ ১৪২৯

  • || ২২ শাওয়াল ১৪৪৩

সই জালিয়াতি করে প্রকল্পের টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ

মানিকগঞ্জ বার্তা

প্রকাশিত: ১ মে ২০২২  

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার চালা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রায়হান মোল্যার বিরুদ্ধে একটি প্রকল্পের পাঁচ সদস্যের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে এলজিএসপি-৩ কর্মসূচি প্রকল্পের সদস্য সচিব ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ৪, ৫ ও ৬ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ছালমা বেগম গত ২৪ এপ্রিল মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

ছালমা বেগম লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, ২০২০-২১ অর্থবছরে এলজিএসপি-৩ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার চালা ইউনিয়নের ইজদিয়া গ্রামের আক্কাছ পীরের বাড়ির সামনে পুকুরের ঘাটলা নির্মাণকাজের আমি সদস্য সচিব ছিলাম। যার দরপত্র মূল্য ছিল ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা। ওই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, আমাকে না জানিয়ে এবং আমার স্বাক্ষর জালিয়াতি করে প্রকল্পের সব টাকা উত্তোলন করে নিয়েছেন প্রকল্পের সভাপতি ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রায়হান মোল্যা।

অভিযোগের সূত্র ধরে সরেজমিন জানা যায়, সাত সদস্যবিশিষ্ট প্রকল্পের ওয়ার্ড কমিটির সভার কার্যবিবরণীতে সভাপতি রায়হান মোল্যা ও সদস্য সমাজসেবক রাজ্জাক মোল্যার স্বাক্ষর ছাড়া অন্য পাঁচজনের কেউ স্বাক্ষর করেননি। তারা বিষয়টি সম্পর্কে জানেনই না বলে জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে প্রকল্পের সভাপতি ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রায়হান মোল্যা মোবাইল ফোনে বলেন, ‘স্বাক্ষর ছালমা বেগমেই করছে। এখন “মিথ্যা” বলছে। আপনি সরাসরি দেখা করেন, বিস্তারিত বলব।’

চালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আবদুল মজিদ বলেন, ‘প্রকল্পের ব্যাপারে সাবেক সদস্য ছালমা বেগম আমার কাছে আগেই অভিযোগ দিয়েছিলেন। এতটুকু জানি যে, প্রকল্পের দরপত্র মূল্যায়ন থেকে শুরু করে ওয়ার্ড কমিটির সভার কার্যবিবরণীসহ কোথাও ছালমা বেগম স্বাক্ষর করেননি। এ প্রকল্পটি আমার সময়ের নয়। তবে বিল হয়েছে আমার সময়ে।’

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘স্বাক্ষর জালিয়াতির একটা অভিযোগ পেয়েছি। ঈদের ছুটি শেষে ইঞ্জিনিয়ার পাঠিয়ে আগে দেখব পুকুরের ঘাটলা সঠিকভাবে করা হয়েছে কি না। ছালমা বেগমের অভিযোগেরও তদন্ত হবে।’