• রোববার   ২২ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৮ ১৪২৯

  • || ২০ শাওয়াল ১৪৪৩

‘নির্বাচনে সহিংসতা প্রতিরোধে ইসির দৃঢ় ভূমিকা চাই’

মানিকগঞ্জ বার্তা

প্রকাশিত: ২৮ ডিসেম্বর ২০১৮  

নির্বাচনে সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এ কথা বলেন।

ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল (ডিআই) আয়োজিত ‘শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে করণীয়’ শিরোনামের এ গোলটেবিল আলোচনায় সংস্থার চিফ অব পার্টি কেটি ক্রুকের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য রেজাউল কবীর কাওসার, ফেয়ার ইলেকশন মনিটরিং অ্যালায়েন্স-ফেমার প্রেসিডেন্ট মুনীরা খান, ডি-নেটের প্রধান নির্বাহী এবিএম সিরাজুল ইসলাম, সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের হেড অব নিউজ আশীষ সৈকত এবং ডিআইর সিনিয়র ডিরেক্টর ড. আবদুল আলম। সঞ্চালনা করেন সংস্থার কর্মকর্তা আমিনুল এহসান। এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরুণ আলোচকরা অংশ নেন।

রেজাউল কবীর কাওসার বলেন, আওয়ামী লীগ সব সময়ই শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস করে। ঐতিহ্য অনুযায়ী আওয়ামী লীগ এবারও শান্তিপূর্ণ উপায়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছে। তিনি আশা করেন, অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোও শান্তি ভঙ্গ হয় এমন পন্থায় যাবে না।

মুনীরা খান বলেন, সহিংসতা রোধে সবার আগে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। এ জন্য প্রচারণাসহ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সব দলের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।

মুস্তাফিজ শফি বলেন, নির্বাচন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল ভিত্তি। বিশ্বাসযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেয়। প্রচারণার ক্ষেত্রে কিছু কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলেও ৩০ ডিসেম্বর শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আশীষ সৈকত বলেন, একটি নির্বাচনী প্রক্রিয়া পরিচালনা শুধু নির্বাচন কমিশনের একার ওপর নির্ভর করে না। এ জন্য সরকারি প্রশাসন, বিভিন্ন সংস্থা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সার্বিক সহায়তার প্রয়োজন হয়।

কেটি ক্রুক আলোচনার ইতি টেনে বলেন, উদ্বেগ, উত্তেজনা অনেক কিছুই আছে। কিন্তু বাংলাদেশে অতীতে শান্তিপূর্ণ, বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন হয়েছে, এবারও অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে সবারই প্রত্যাশা রয়েছে।

আলোচনায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কয়েকটি প্রধান প্রস্তাব উঠে আসে। এগুলো হচ্ছে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রক্ষায় নির্বাচন কমিশনকে বলিষ্ঠ ভূমিকা নিতে হবে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের নির্দেশনা দিতে হবে এবং পোলিং এজেন্টরা যেন গ্রেফতার না হন সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। রাজনৈতিক সহনশীলতার নজির স্থাপনে রাজনৈতিক দলগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে এবং পরস্পরের প্রতি আস্থার সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে। সকলের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে, ভোটাররা যেন ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে এবং ভোটারদের ভোটদানে দায়িত্বশীল হতে হবে।