• শনিবার ২৫ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১০ ১৪৩১

  • || ১৬ জ্বিলকদ ১৪৪৫

লবণবাহী ১৬ ট্রলার ডুবে নিখোঁজ ৭২

মানিকগঞ্জ বার্তা

প্রকাশিত: ৮ মে ২০২৪  

কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে বঙ্গোপসাগরের আনোয়ারার উপকূলে লবণবাহী ১৬ ট্রলার ডুবে ৭২ জন মাঝি-মাল্লা ও শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় চারটি ট্রলারের ১৮ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ।

বুধবার (৮ মে) ভোরে বঙ্গোপসাগরে চট্টগ্রামের আনোয়ারার উপকূলের চার নটিক্যাল মাইল দূরে ও শঙ্খ নদীর মোহনায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নৌপুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাঁশখালী, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া থেকে ১৬টি ট্রলারে লবণবোঝাই করে চট্টগ্রাম শহরের মাঝিরঘাট যাচ্ছিল।

পথে বঙ্গোপসাগরের আনোয়ারা উপকূল থেকে চার নটিক্যাল মাইল দূরে পৌঁছলে কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারগুলো। এতে একের পর এক ট্রলারগুলো ডুবে যায়। খবর পেয়ে কোস্ট গার্ড ও নৌ-পুলিশ চার ট্রলার থেকে ১৮ মাঝি-মাল্লা ও শ্রমিক উদ্ধার করে। এতে প্রায় ৩০ হাজার মণ লবণ পানিতে তলিয়ে যায়।

নিখোঁজ অন্যান্যদের উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে কোস্ট গার্ড ও নৌ পুলিশ। উদ্ধারকৃতরা হলেন, এমভি আল্লাহর দান ট্রালের মাঝি জিয়া উদ্দিন, এমভি তৌফিক ইলাহির মাঝি মানিক মানিক, নুরুল আমিন, মোহাম্মদ আলী, মোহাম্মদ মানিক, মনসুর উদ্দিন, বদি আলম, আবু হানিফ, জাবেদ আহমেদ, মোহাম্মদ আনিস, মোহাম্মদ আহিম, সোহেল মিয়া। তারা বাঁশখালী উপজেলা ও কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া, মহেশখালী ও চকরিয়া উপজেলার বাসিন্দা। 

কুতুবদিয়ার এমভি তৌফিক ইলাহি ট্রলারের মাঝি মানিক মিয়া বলেন, ‘মঙ্গলবার বিকেলে কুতুবদিয়া থেকে লবণ বোঝাই করে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দিয়েছি। আজ ভোরে আনোয়ারার উপকূলে এসে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে আমাদের ট্রলারসহ প্রায় ১৮টি ট্রলার ডুবে যায়। প্রতিটি ট্রলারে ৬ জন মাঝি-মাল্লা রয়েছে। তারমধ্যে কোস্ট গার্ড ও নৌ পুলিশের সহযোগিতায় ১৮ জন মাঝি-মাল্লা ও চারটি ট্রলার উদ্ধার হলেও ১২টি ট্রলারসহ বাকি ৭২জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।’ 

বার আউলিয়া ঘাট নৌপুলিশের ইনচার্জ টিটু দত্ত জানান, লবণবাহী ট্রলার ডুবির ঘটনায় চারটি ট্রলারের উদ্ধার হওয়া ১২ জন আমাদের হেফাজতে রয়েছেন। দুর্ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়ায় দুইজনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চারজন কোস্ট গার্ড স্টেশনে আছেন। বাকি ট্রলারসহ নিখোঁজদের উদ্ধার কাজ চলমান রয়েছে।