• রোববার   ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ১০ ১৪২৮

  • || ১৮ সফর ১৪৪৩

ইসির মামলায় ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল পিছিয়েছে

মানিকগঞ্জ বার্তা

প্রকাশিত: ৩ জানুয়ারি ২০২১  

প্রতারণার অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দায়ের করা মামলায় ডা. সাবরিনা শারমিনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পিছিয়ে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেন আদালত। 

রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম মো. মামুনুর রশিদের আদালত নতুন এ দিন ধার্য করেন। 

এদিন মামলাটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই মইনুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এজন্য আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেন।

গত ৩০ আগস্ট মামলাটি দায়ের করেন গুলশান থানার নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মমিন মিয়া। গত ৩ সেপ্টেম্বর আদালত ডা. সাবরিনার দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে গত ১৪ সেপ্টেম্বর মামলাটিতে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন।

এদিকে, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দায়ের করা মামলায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালত গত ২২ নভেম্বর ডা. সাবরিনার ২০ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন দেন। তবে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা নিয়ে প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে জামিন পেলেও কারামুক্ত হতে পারছেন না ডা. সাবরিনা।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, বর্তমানে সাবরিনার দুটি এনআইডি কার্ড সক্রিয়। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিষয়টি টের পাওয়ার পর বিস্তারিত জানতে ইসির কাছে তথ্য চায়। সাবরিনা ২০১৬ সালের ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় দ্বিতীয়বার ভোটার হন। তিনি প্রথমে ভোটার হন সাবরীনা শারমিন হোসেন নামে। এটিতে জন্ম তারিখ দেয়া ১৯৭৮ সালের ২ ডিসেম্বর। অন্যটিতে জন্ম তারিখ ১৯৮৩ সালের ২ ডিসেম্বর। প্রথমটিতে স্বামীর নাম হিসেবে ব্যবহার করেছেন আর এইচ হক। আর দ্বিতীয়টিতে স্বামীর নাম লেখা হয়েছে আরিফুল চৌধুরী।

এদিকে করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে প্রতারণার মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।  এখন পর্যন্ত মামলাটিতে ৪০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে। আগামী ৬ জানুয়ারি পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য রয়েছে।

এ মামলায় অন্য আসামিরা হলেন- আবু সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ূন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী, বিপ্লব দাস, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা।

গত ২৩ জুন সাবরিনার স্বামী আরিফ চৌধুরীসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। পরে ১২ জুলাই দুপুরে সাবরিনাকে তেজগাঁও বিভাগীয় উপ-পুলিশ (ডিসি) কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে তেজগাঁও থানায় করা মামলায় গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।

জেকেজি হেলথ কেয়ার থেকে ২৭ হাজার রোগীকে করোনা টেস্টের রিপোর্ট দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে ১১ হাজার ৫৪০ জনের করোনার নমুনা আইইডিসিআরের মাধ্যমে সঠিক পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বাকি ১৫ হাজার ৪৬০ জনের ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করা হয়, যা উদ্ধার করা ল্যাপটপে পাওয়া গেছে।