• রোববার ২৬ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১২ ১৪৩১

  • || ১৭ জ্বিলকদ ১৪৪৫

উড়িষ্যায় ফণির আঘাতে নিহত ২

মানিকগঞ্জ বার্তা

প্রকাশিত: ৩ মে ২০১৯  

ভারতের উড়িষ্যায় প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় ফণির ভয়াবহ তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। এখন পর্যন্ত সেখানে দু’জনের মৃত্যুর খবর জানা গেছে। 

এরইমধ্যে রাজ্যের বেশিরভাগ এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। একইসঙ্গে স্থানীয় ঘরবাড়ি ধ্বংসের খবরও পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

ঝড় চলতে থাকায় ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা করা যাচ্ছে না। অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলীয় এলাকায় বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেখানকার সরকারি কর্মকর্তারা।

ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে অন্ধ্রপ্রদেশ ছেড়ে পশ্চিমবঙ্গের দিকে ধাবিত হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে আগামী কয়েক ঘন্টার মধ্যে এটির শক্তি কমে আসতে পারে।

ভারতের আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আজ বিকেল ৩টার দিকে উপকূলে আঘাত হানার কথা থাকলেও সে সময়ের ৫-৬ ঘন্টা আগেই স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে নয়টার দিকে উড়িষ্যার উপকূলীয় অঞ্চল গোপালপুর এবং পুরীতে ঘন্টায় ২১০ কিলোমিটার গতিবেগে আছড়ে পড়ে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়টি।

এর আগে, ফণির সম্ভাব্য যাত্রাপথ থেকে ১০ লাখ মানুষকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছে উরিষ্যা সরকার। বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য চার হাজার ৮৫২ সাইক্লোন এবং বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। আপাতত, ওই ১০ লাখ মানুষের ঠাঁই হচ্ছে এসব আশ্রয়কেন্দ্রে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব কন্ট্রোল রুম খুলেছেন। ফণি নিয়ে খবরাখবর বা যেকোনো সাহায্যের জন্য হেল্পলাইন নম্বর ১৯৩৮-এ ফোন করতে বলা হয়েছে। শনিবার পর্যন্ত বাতিল করে দেয়া হয়েছে মোট ১৪৭টি ট্রেন।

ভারতের আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছ, উড়িষ্যায় তাণ্ডব চালানোর পর পশ্চিমবঙ্গে ঢুকে দক্ষিণবঙ্গের ওপর দিয়ে বাংলাদেশের দিকে চলে যাবে শক্তিশালী ঝড়টি।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় ফণি ভারত অতিক্রম করে খুলনাসহ দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে শুক্রবার রাতে আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদফতর। এ সময় খুলনা বিভাগের যশোর-কুষ্টিয়া এলাকা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম করার পর ঝড়টি কিছুটা হালকা হয়ে ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার বেগে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে।