• বুধবার   ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ১৯ ১৪২৯

  • || ১০ রজব ১৪৪৪

শরীয়তপুরের কচু-কাঁচামরিচ-লাউ যাচ্ছে সুইজারল্যান্ডে

মানিকগঞ্জ বার্তা

প্রকাশিত: ৪ জানুয়ারি ২০২৩  

শরীয়তপুরের জাজিরায় উৎপাদিত সবজি পাঠানো হবে সুইজারল্যান্ডে। প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলক ভাবে এ এলাকার সবজি রপ্তানি করা হচ্ছে। সব ঠিক থাকেলে আগামীতে আরও বেশি সবজি দেশের বাইরে পাঠানো হবে।বুধবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে ফ্লাইটে করে সুইজারল্যান্ড পাঠানো হবে এসব সবজি। জাজিরা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সবজির একটি ছোট চালান সেন্ট্রাল প্যাক হাউজে নেওয়া হয়েছে রপ্তানির উদ্দেশ্যে। বিএইচ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল নামক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানটি জাজিরা থেকে ৭০ কেজি কচু, ৬৫ কেজি কাঁচামরিচ, ২০ কেজি লাউ প্রসেস করে নিয়েছে। বুধবার বিকেলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে ফ্লাইটে প্রথমবারের মতো সুইজারল্যান্ড যাবে দেশি সবজি। এ সবজিগুলো হবে পরীক্ষামূলক। যদি সবকিছু ঠিক থাকে তাহলে আগামী সপ্তাহে বেশি করে সবজি পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন রপ্তানি কারকরা।

তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পরপর আমাদের লক্ষ্য ছিল জাজিরার উৎপাদিত বিভিন্ন সবজি ও ফল রপ্তানির বিষয়ে কাজ করা। এরই ধারাবাহিকতায় ২৭ ডিসেম্বর জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, রপ্তানিকারক, কৃষক ও কৃষি উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমের ব্যক্তিদের নিয়ে এক রপ্তানি বিষয়ক সেমিনার করা হয়। ফলশ্রুতিতে তিন সবজির (লাউ, কচু ও কাঁচামরিচ) প্রথম চালান সুইজারল্যান্ড যাচ্ছে। 

আমরা আশাবাদী এটি অব্যাহত থাকলে এ অঞ্চলের কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নে চমৎকার একটি প্রভাব পরবে। শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক মো. পারভেজ হাসান বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি রাখা যাবে না। কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে। তার এই স্বপ্নকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, জাজিরার মাটিগুলো খুবই উর্বর। উন্নত কৃষির মাধ্যমে আমাদের সব জমিগুলো চাষাবাদের আওতায় এনে এখানকার পণ্যগুলো রপ্তানি করার মাধ্যমে কৃষিভিত্তিক দেশ গড়তে আমরা কাজ করছি। যে কৃষকদের সবজি সুইজারল্যান্ড যাচ্ছে তারা হলেন জাজিরা উপজেলার খোকন খালাসী, বেলায়েত হোসেন, মাসদ মাদবর। তারা বলেন, আমরা অনেক আনন্দিত যে আমাদের সবজি সুইজারল্যান্ড যাচ্ছে। আশা করি বিদেশে সবজি গেলে আমরা ভালো দাম পাবো। আমাদের চাষাবাদে আরও আগ্রহ বাড়বে।