• সোমবার   ২৮ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৪ ১৪২৯

  • || ০৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

অর্থ পাচার রোধে বাংলাদেশের ৮ ধাপ উন্নতি

মানিকগঞ্জ বার্তা

প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২২  

অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধের সূচকে ৮ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৪১ নম্বরে। মঙ্গলবার ২০২২ সালের বাসেল অ্যান্টি মানি লন্ডারিং-এএমএল সূচক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে বাংলাদেশ সূচকে ৩৩ নম্বর ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে ৪১ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে।

গতবছর এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিলো ৩৩ নম্বরে। এএমএল-এর নতুন সূচক অনুযায়ী ১২৮ দেশের মধ্যে তালিকায় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এক নম্বর অবস্থানে কঙ্গো। এরপরে অবস্থান রয়েছে হাইতি, মিয়ানমার, মোজাম্বিক ও মাদাগাস্কার এর।

সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হলো ফিনল্যান্ড। সূচকে গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও ভুটানের অবস্থানের উন্নতি হলেও অবনতি হয়েছে পাকিস্তানের। সূচকে পাকিস্তানের অবস্থান ২৭তম, ভুটান ২৮তম এবং শ্রীলঙ্কার অবস্থান ৩১তম। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে শ্রীলঙ্কা, ভুটান ও পাকিস্তানের থেকে ভালো অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে শ্রীলঙ্কা, ভুটান ও পাকিস্তানের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। সূচকে বাংলাদেশের উন্নয়নের কারণ হিসেবে আর্থিক খাতের গোপনীয়তা ও মানব পাচার প্রতিরোধে অগ্রগতির বিষয়কে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক অঙ্গীকার, আন্তঃসরকার কাজের সমন্বয়, অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রতিরোধে সরকারের পর্যাপ্ত লোকবল ও অর্থের সংস্থান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাসেল এএমএল ১১ বছর ধরে পাঁচটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে এ সূচক নির্ধারণ করে থাকে। সেগুলো হলো- অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থা পরিপালন, ঘুষ ও দুর্নীতি, আর্থিক মানদণ্ড ও স্বচ্ছতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি এবং আইনগত ও রাজনৈতিক ঝুঁকি।