• মঙ্গলবার   ০৫ জুলাই ২০২২ ||

  • আষাঢ় ২১ ১৪২৯

  • || ০৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

মানিকগঞ্জে কাঁচা মরিচ চাষীরা আশানুরূপ ফলন ও দাম পেয়ে খুশি

মানিকগঞ্জ বার্তা

প্রকাশিত: ৩ জুন ২০২২  

কাঁচা মরিচ কাটার কাজ চলছে পুরোদমে এবং স্থানীয় বাজারে প্রচুর পরিমাণে দেখা যাচ্ছে; চাষীরা মরিচের আশানুরূপ উৎপাদন ও ন্যায্য মূল্য পেয়ে খুব খুশি। স্থানীয় বাজারে এখন প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায় এবং পাইকারি রেট ৪০ টাকা।

জেলার ঘিওর ও শিবালয় উপজেলার চাষীরা বরঙ্গাইল ও উথুলি বাজারে এবং হরিরামপুর উপজেলার চাষীরা ঝিটকা, বাথোইমুড়ি, বল্লা ও সরুপাই বাজারে কাঁচা মরিচ বিক্রি করছে। সূত্র জানায়, খরার কারণে চলতি বছর নির্ধারিত সময়ে কাঁচা মরিচ না পাওয়া গেলেও এখন বাজারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) সূত্র জানায়, জেলার হরিপুর, শিবালয়া ও ঘিওর উপজেলার চাষীদের জন্যে পেঁয়াজের পর কাঁচা মরিচ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। কাঁচা মরিচ কাটার এই সময়ে প্রচুর মানুষ এই মৌসুমী ব্যবসায় নিয়োজিত হয়ে বেশ অর্থ উপার্জন করছে। অনেক পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতা চাষীদের কাছ থেকে কাঁচা মরিচ সংগ্রহ করতে এলাকা এলাকায় আসছে। এসব এলাকায় শত শত ট্রাক কাঁচা মরিচ সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করছে। শত শত শ্রমিক বিশেষ করে নারী শ্রমিক ক্ষেত থেকে কাঁচা মরিচ তোলায় নিয়োজিত রয়েছে। 

কাঁচা মরিচ ব্যবসায়ি আব্দুর রহমান বলেন, প্রতিদিন ব্যবসায়ীদের একটি গ্রুপ স্থানীয় বাজারে ঘুরে ঘুরে  তাদের গোডাউন থেকে কাঁচা মরিচ কিনছে ও দেশের বিভিন্ন অংশে সরবরাহ করছে। তার দোকানে প্রতিদিন পাঁচ থেকে ছয়জন কাজ করছে। আহমেদ আলী, একজন চাষী বলেন, তারা তাদের জমিতে  প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম কাঁচা মরিচ চাষ করছেন। একজন কাঁচা মরিচ ব্যবসায়ী বলেন, মানিকগঞ্জের কাঁচা মরিচ ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে এবং এ বাজার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ডিএই সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে ৬ হাজার ৬শ’ মেট্রিকটন উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নিয়ে ৪ হাজার হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচ চাষ করা হয়েছে। ডিএই’র উপ পরিচালক আবু মোহাম্মাদ এনায়েত উল্লাহ মানিকগঞ্জ জেলার বিশেষ করে হরিরামপুর, শিবালয়া ও ঘিওরের মাটি কাঁচা মরিচ চাষের জন্য উপযোগী উল্লেখ করে বলেন, মানিকগঞ্জের কাঁচা মরিচ অন্যান্য জেলার তুলনায় ভালো এবং বাজারে এর বেশ চাহিদা রয়েছে।